Thursday, December 5, 2019

সুস্বাস্থ্যের জন্য মসলা

সুস্বাস্থ্য অনেকটাই নির্ভর করে খাদ্যাভ্যাসের ওপর- এই নীতির ওপর নির্ভর করেই আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে বলা হয় প্রতিশেধকের চাইতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সবচেয়ে ভালো। আর দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানানো দেহ সুস্থ রাখতে পারে এরকম কিছু মসলার নাম।
হলুদ: এতে আছে আয়ুর্বেদিক ঔষধি গুণ। এটা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান সমৃদ্ধ যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং পেটের সমস্যা দূর করে।
কারি পাতা: ব্যাক্টেরিয়ারোধী উপাদান সমৃদ্ধ এই পাতা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে, পেটের ব্যথা থেকে মুক্তি ও হজম সমস্যা দূর করে। এছাড়াও এটা সংক্রমণ কমিয়ে ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে।     
জিরা: পাকস্থলির সমস্যা থেকে মুক্তি দিয়ে পেট ফোলাভাব এবং প্রদাহ কমায়। এছাড়াও এটা রক্তের শর্করার মাত্রা কমায় এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে কাজ করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদরোগ প্রতিহত করতে সহায়তা করে। 
মেথি: সুগন্ধি মেথি ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, মাসিক চলাকালীন অস্বস্তি দূর করে, মুখের আলসার, পাকস্থলির সমস্যা, গলা ব্যথা দূর করে। এছাড়া স্তন্যদানকারী মায়ের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। 
কালো গোল মরিচ: ভারতীয় রান্নায় গোল মরিচের ব্যবহার বেশ প্রচলিত। এটা হজমক্রিয়া উন্নত করে, মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগ থেকে রক্ষা করে। কালো গোল মরিচ কানের ব্যথা দূর করে, দাঁতের ক্ষয় এবং অন্যান্য ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে।

খবর > লাইফস্টাইল কলার মোচার উপকারিতা

কলার মোচা ভর্তা মুখরোচক একটি খাবার। তবে এতে নানান পুষ্টিগুণও রয়েছে।
পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকশিত প্রতিবেদন থেকে কলার ফুল বা মোচার উপকারিতা সম্পর্কে জানানো হল।
পুষ্টি উপাদান: কলাতে যে সকল পুষ্টি উপাদান থাকে সেগুলোতো আছেই। পাশপাশি মোচাতে আরও থাকে মেন্থলের নির্যাস, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । এছাড়াও এটা ভিটামিন বি সিক্স, সি ও আঁশ সমৃদ্ধ। আরও আছে ভিটামিন ই, প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যা শরীরের জন্য উপকারী।
রজঃচক্র স্বাভাবিক রাখা: কলার ফুল রজঃকালীন ব্যথা কমায় এবং প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধি করে রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে। এটা পেটের সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলাভাব এবং ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (পিসিওএস) নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
মন ভালো রাখে: এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম যা উদ্বেগ ও হতাশা কমায়। মন মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। 
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কলার মোচায় আছে ফেনলিক অ্যাসিড এবং অন্যান্য ‘বায়োঅ্যাক্টিভ’, যা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।  
বুকের দুধ বৃদ্ধি: কলার ফুল বা মোচায় রয়েছে প্রাকৃতিক ‘গ্যালাক্টাগাগ’ যা স্তন্যদানকারী মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
ত্বকের জন্য ভালো: এতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই কলার মোচা অকালে বৃদ্ধ হওয়া ও বয়সের ছাপ পড়া ধীর করে। এছাড়া ত্বকের গঠন উন্নত করে বলিরেখা কমায়।
দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ কমায়: কলার মোচায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উন্মুক্ত ‘রেডিকল’য়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। জারণ ক্ষয় প্রতিহত করে এবং হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।