Wednesday, February 19, 2020

যে খাবারে শিশুর মেধা বাড়ে

যে খাবারে শিশুর মেধা বাড়ে
প্রতীকী ছবি
শিশুর খাবার নিয়ে প্রায়ই দুশ্চিন্তায় ভোগেন নারীরা। কেননা, সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে শিশুর জন্য সুষম খাবার জরুরি।
শিশুদের বয়সটা হচ্ছে শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশসাধনের সময়। তাই এসময় খাবার তালিকায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করতে হয়।
অনেক বাবা-মা শিশুদেরকে নিয়মিত ফল ও শাকসবজি খাওয়াতে ত্রুটি করেন না। কিন্তু এর পাশাপাশি এমন কিছু খাবার খাওয়ানো প্রয়োজন, যা তাদের মস্তিষ্কের বিকাশসাধন করবে তথা মেধা ও মনোযোগ বাড়াবে। এখানে শিশুর মেধা ও মনোযোগ বৃদ্ধি করতে পাঁচ খাবার দেয়া হল, যা ১২ মাস ও তদুর্ধ্ব বয়সের বাচ্চাকে খাওয়াতে পারবেন।
ডিম: শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশসাধন হয় উল্লেখযোগ্য হারে। এসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একটি পুষ্টি হচ্ছে কোলাইন। মস্তিষ্কের গভীরে স্মৃতিকোষ তৈরি করতে কোলাইনের প্রয়োজন রয়েছে। ডিমের কুসুমে পর্যাপ্ত কোলাইন পাওয়া যায়। আট বছর পর্যন্ত প্রতিদিন যতটুকু কোলাইন লাগে তার প্রায় সমপরিমাণ পুষ্টি একটি ডিমের কুসুম সরবরাহ করতে পারে। ডিমে প্রচুর প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন এ ও ফোলেটও রয়েছে- এদের প্রত্যেকটিই কোষের বৃদ্ধি, বিকাশসাধন ও মেরামতে দরকার। তাই শিশু ডিমের প্রতি অ্যালার্জিক না হলে তাদেরকে প্রতিদিন ডিম খেতে উৎসাহিত করুন।
তৈলাক্ত মাছ: তৈলাক্ত মাছ অনেক উপকার করতে পারে। মস্তিষ্কের বিকাশসাধন ও স্বাস্থ্যের জন্য ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ মাছ খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কোষের বিকাশসাধনের জন্য অন্যতম বিল্ডিং ব্লক হচ্ছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এ পুষ্টি নিউরোট্রান্সমিটার ফাংশনে ভূমিকা রেখে আচরণগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। কিছু গবেষণায় নিম্নমাত্রার ওমেগা ৩ এর সাথে কম মেধার যোগসূত্র দেখা গেছে এবং অন্যদিকে ওমেগা ৩ সাপ্লিমেন্টেশনে মেমোরি ফাংশন বৃদ্ধি পেয়েছিল।
হোল গ্রেন: শিশুদের সকালের নাস্তায় হোল গ্রেন (গোটা শস্য) রাখা উচিত। কার্বোহাইড্রেটে সমৃদ্ধ এই খাবার মস্তিষ্কের জ্বালানি হিসেবে গ্লুকোজ ও এনার্জির যোগান দেয়। এতে প্রচুর বি ভিটামিনও থাকে, যা নার্ভাস সিস্টেমকে সুস্থ ও পুষ্ট রাখে। অনেক গবেষণায় পাওয়া গেছে, হোল গ্রেনের ব্রেকফাস্ট শর্ট-টার্ম মেমোরি ও মনোযোগ বৃদ্ধি করতে পারে। অন্যদিকে সকালের নাশতা হিসেবে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণে এমন লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায়নি। হোলগ্রেনে উচ্চ পরিমাণে ফাইবারও রয়েছে, যা শরীরে গ্লুকোজ সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ করে।
বিনস: শিমের বিচির মতো বিচি প্রকৃতির খাবারে (বিনস) উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়। পিন্টো ও কিডনি বিনসে ওমেগা ৩ ফ্যাট বেশি থাকে, যা মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ও কার্যক্রমের জন্য দরকারী। শিশুদের বিনস খাইয়ে স্কুলে পাঠালে ক্লাশরুমে মন বসবে। এছাড়া এসব খাবার তাদেরকে দীর্ঘসময় সতেজ রাখবে।
দুধ: দুধ, দই ও পনির এতটা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার যে শিশুর ডায়েটে চোখ বন্ধ করে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। দুধ জাতীয় খাবারের প্রোটিন, বি ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি মস্তিষ্কের টিস্যু, নিউরোট্রান্সমিটার ও এনজাইমের গ্রোথের জন্য প্রয়োজনীয়। এসবকিছু মস্তিষ্কের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। আরেকটি উপকারিতা হচ্ছে, এসব খাবার ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ বলে এগুলো খেলে দাঁত ও হাড় মজবুত হবে তথা সুস্থ থাকবে। শিশুদের বয়স অনুসারে বিভিন্ন মাত্রার ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হতে পারে। আপনার শিশুকে দুই থেকে তিন ধরনের ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে চেষ্টা করুন।
বিডি প্রতিদিন/কালাম

Tuesday, February 18, 2020

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে পেয়ারা

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে পেয়ারা
দেশী ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফল। সাধারণ এবং সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। শুধু ফল নয়, পেয়ারা পাতায়ও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ।
পেয়ারার পুষ্টিগুণ:
পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। একটি পেয়ারাতে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে একটি মাঝারি আকৃতির কমলা থেকে। ১০ গুণ বেশি ভিটামিন এ রয়েছে লেবুর তুলনায়। এছাড়া ভিটামিন বি২, ই, কে, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।
উপকারিতা: ১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।
২। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস
পেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৩। হার্ট সুস্থ রাখতে
১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।
৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
চাইনিজ চিকিৎসা শাস্ত্ররে অনেক বছর ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা ব্যবহার হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে American Journal of Chinese Medicine প্রকাশ করেন যে, পেয়ারার রসে থাকা উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেয়ারা পাতাও বেশ কার্যকর। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।
৫। ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে
বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে পেয়ারা। উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে দেয়। তবে কাঁচা পেয়ারা ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে কার্যকর।
৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
পেয়ারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৭। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে
ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।
বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

Thursday, February 13, 2020

ট্র্যাডিশনাল হেলথকেয়ার এক্সপো

Wednesday, February 12, 2020

সুস্থ থাকতে জীবনাচরণ পাল্টাতে হবে'

সুস্থ থাকতে জীবনাচরণ ও খাদ্যাভাস পরিবর্তনের কথা বলল হ্যালোর একদল শিশু সাংবাদিক।
‘স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা' শীর্ষক এক বৈঠকের আয়োজন করে শিশু সাংবাদিকতার জন্য বিশেষায়িত পৃথিবীর প্রথম বাংলা ওয়েবসাইট হ্যালো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। যেখানে শিশুদের নানা মতামত ও পরামর্শ উঠে আসে।
বুধবার বিকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে হ্যালোর ছয়জন শিশু সাংবাদিক অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানটি হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেইসবুক পাতায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
শিশু সাংবাদিক তাসবির ইকবাল বলে, “কোন খাবারটা ভালো, কোনটা খারাপ, কোনটা দরকারি তা জানতে ও বুঝতে হবে। খোলা খাবার গ্রহণের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।"
নাহিয়ান আরাফ আয়ান বলে, "আমাদের স্কুলের ক্যান্টিনে খাবারগুলো নোংরা থাকে। পোকামাকড় থাকে। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভয়ানক।"
মাঈশা রহমান বলে, "ভাজি, ভুনা খেতে আমার বেশি ভালো লাগে। মাংস, ফাস্টফুড ভালো লাগে। সবজি, ছোটমাছ খেতে পছন্দ করি না। ডাক্তার বলেছেন তাই আমার চোখে সমস্যা হয়েছে। আমি দূরের লেখা দেখতে পাই না। চশমা ব্যবহার করছি অনেক দিন ধরে।"
শিশু সাংবাদিক জুবায়ের আব্দুল্লাহর কথায় ওঠে আসে স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের কথা।
সে বলে, "আমাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ স্কুল কলেজেসহ সবখানে স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেট নিশ্চিত করা। স্কুল কলেজের শৌচাগার অনেক অস্বাস্থ্যকর থাকে, সাবান থাকে না৷ তাছাড়া স্কুল কলেজে খাবার খাওয়ার আগে ঠিক মতো হাত ধোয়ার ব্যাবস্থা থাকে না।"
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করে শিশু সাংবাদিক শ্রেয়া ঘোষ ও মো. মামুন

Friday, February 7, 2020

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করণীয়

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করণীয়
প্রতীকী ছবি
যে কোনো ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া শরীরকে তখনই কাবু করতে পারে যখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। জেনে নেওয়া যাক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে কী করা যেতে পারে।
রঙিন ফলমূল ও শাক-সবজি : শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজন নানা উপাদান। শাক-সবজি, রঙিন ফলমূলে তার অনেকটাই পাওয়া যায়। প্রতিদিনের খাবারে তাই এসব রাখার চেষ্টা করুন।
প্রয়োজনীয় টিকা দিন : আপনার সব প্রয়োজনীয় টিকা দেওয়া থাকতে হবে। প্রাপ্তবয়স্করা ভ্যাকসিন রিফ্রেশ করতে ভুলবেন না! বিশেষ করে ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস, মেনিনজাইটিস, হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং এমন অন্যান্য রোগের টিকা নিন। প্রয়োজন যথেষ্ট ঘুম : ঘুম শরীরকে শুধু বিশ্রামই দেয় না, গভীর ঘুমের মধ্যে শরীরে নিউরোট্রান্সমিটার ছড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও সচল রাখে।
চাই জীবনে ‘আনন্দ’ : সমীক্ষায় জানা যায়, শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ভালো মন-মেজাজ এবং জীবনে আনন্দের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমরা নিজেরাও দেখে থাকি যে, তুলনামূলকভাবে হাসি-খুশি মানুষের অসুখ-বিসুখ কম হয়ে থাকে।
মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন : বর্তমান বিশ্বে ‘স্ট্রেস’ বা মানসিক চাপ বহুল উচ্চারিত একটি শব্দ। তবে নেতিবাচক চাপ শরীরে কর্টিসোলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই এ চাপ কমাতে শরীরের ব্যাটারিকে রিচার্জ করুন, অর্থাৎ নিয়মিত যোগব্যায়াম, মেডিটেশন বা এমন কিছু করুন।
হাঁটুন : তাজা বাতাস এবং হাঁটা দুটোই শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। মুক্ত বাতাসে হাঁটার সময় শরীরে রক্ত সঞ্চালনও ঠিকভাবে হয়।
বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

খাওয়ার পরে গোসল, হতে পারে ‘মারাত্মক বিপদ’





প্রতীকী ছবি
advertisement
খাওয়ার পর অনেকেই গোসল করেন। কিন্তু জানেন কি, খাওয়ার পর ভরা পেটে গোসল কতটা ক্ষতিকর? আসুন জেনে নেওয়া যাক...
খাবার হজমের জন্য শরীরে নির্দিষ্ট তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। ওই নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় আমাদের পরিপাক প্রক্রিয়া সঠিকভাবে ক্রিয়াশীল হয়। কিন্তু খাবার পরই গোসল করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। এ কারণে বিঘ্নিত হয় আমাদের হজম প্রক্রিয়াও। ফলে গ্যাস-অম্বল এবং বদহজম থেকে শুরু করে বুকজ্বালা ও বারবার ঢেকুরের সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ধরে খাওয়ার পর গোসলের অভ্যাস ভবিষ্যতে হজমের গুরুতর সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এসব সমস্যা এড়াতে ত্যাগ করুন খাওয়ার পর গোসলের অভ্যাস।
এ ছাড়া শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হঠাৎ পরিবর্তন ঘটলে তা আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াকেও প্রভাবিত করে। রক্তচাপের আকষ্মিক ওঠা-নামার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের সমস্যার ঝুঁকিও তৈরি হয়। চিকিত্সকরাও তাই খাবার আগেই গোসল করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর একান্তই যদি সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর গোসল করুন। আর আগাম সতর্কতায় সুস্থ থাকুন। সূত্র : জিনিউজ

Monday, February 3, 2020

৫ নিয়ম মানলে ভালো থাকবে চুলের স্বাস্থ্য-যুগান্তর

চুলের যত্নে নারকেল তেল।
চুলের যত্নে নারকেল তেল। ছবি সংগৃহীত
চুল মানুষের দৈহিক সৌন্দর্য বাড়ায়। তাই চুলের যত্ন নেয়া প্রয়োজন। কারণ স্বাস্থ্যবান সুন্দর চুল শুধু আমাদের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, আমাদের ব্যক্তিত্বের ওপরেও প্রভাব ফেলে।
তবে চুলের যত্ন নিতে হবে অবশ্যই চুলের ধরণ অনুযায়ী। চুলের স্বাস্থ্য ভারো রাখতে নারী ও পুরুষ উভয়েরই বিশেষ ৫ বিষয় মেনে চলা জরুরি।
আসুন নিই চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কী করবেন-
১. সুন্দর চুলের জন্য খাবারের বিষয়ে নজর দিতে হবে। সবুজ শাকসবজি ও ফলের রস চুলের জন্য খুবই ভালো। স্বাস্থ্যবান ও ঝলমলে চুলের জন্য দুধ ও ফ্রেশ দই খেতে পারেন। আর নারিকেল তেলও চুলকে স্বাস্থ্যবান করে তোলে।
২. সপ্তাহে দুদিন উষ্ণ তেল চুলে মালিশ করুন। চুলের গোঁড়ার আর্দ্রতা ধরে রাখতে এই তেল খুব ভালো কাজ করে। ব্যবহার করতে পারেন নারিকেল তেল ও আমন্ড অয়েল।
৩. অবসাদ বা ক্লান্তি চুলের রঙ ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। মেডিটেশন, মিউজিক থেরাপি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন।
৪. ভিজে চুল কখনই আঁচড়াবেন না। চুলের জট ছাড়ানোর জন্য বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন।
৫. সপ্তাহে একবার ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট ট্রাই করুন। চুলের যত্নে কখনই কড়া কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না।
তথ্যসূত্র: জিনিউজ[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের

Sunday, February 2, 2020

খাবার খাওয়ার পরে ভুলেও করবেন না যে ৫ কাজ

খাবার খাওয়ার পরে ভুলেও করবেন না যে ৫ কাজ
প্রতীকী ছবি
আমরা যা খাই, তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরে। সঠিক নিয়ম মেনে সঠিক খাবার খেলে যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, তেমনই নিয়ম না মেনে ভুল খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। আজ আমরা আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে আলোচনা করব খাওয়ার পরে যে পাঁচ কাজ কখনোই করা উচিত নয়, তাই নিয়ে-।
১। ভরা পেটে কখনোই ফল খাবেন না। খালি পেটে ফল খেলে তবেই তার খাদ্যগুণ আমাদের শরীরে শোষিত হয়। তাই খাওয়ার বেশ কিছুটা সময় পরে ফল খান। খাবার খেয়েই ফল খেলে হজমের সমস্যাও দেখা দেয়।
২। খাওয়ার পরেই আমাদের অনেকেরই ঘুম পায়। তাই খেয়ে উঠেই বিছানায় যেতে আমরা বেশ পছন্দ করি। কিন্তু এটা অত্যন্ত খারাপ অভ্যেস। খেয়ে উঠেই শুয়ে পড়লে ওজন তো বাড়বেই, সেই সঙ্গে হজমের সমস্যাও দেখা দেবে। তাই খেয়ে উঠে অন্তত এক ঘণ্টা পরে বিছানায় যান। ৩। খাবার পরেই অনেকে ধূমপান করেন। কিন্তু জানেন কি, ভরা পেটে স্মোক করলে তা শরীরের বেশি ক্ষতি করে। তাই ভরা পেটে ধূমপান করার অভ্যাস ত্যাগ করুন।
৪। পেটভর্তি করে খেয়ে অনেকেই কোমরের বেল্ট একটু হালকা করে নেন। এটিও কিন্তু খারাপ অভ্যাস। প্রথম কথা কখনোই পেট এতটা ভর্তি করে খাওয়া উচিত নয়, যাতে কোমরের বেল্ট হালকা করতে হয়।
৫। পানি খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু খেয়ে উঠেই পানি পান করবেন না। খাবার খেয়েই পানি খেলে তা হজমে সহায়ক গ্যাসট্রিক রসকে হালকা করে দেয়। ফলে খাবার ঠিকমতো হজম হতে চায় না। সেই রকমই খেয়ে উঠেই চা বা কফি খাওয়া ঠিক নয়।

বিডি-প্রতিদিন/ সিফাত আব্দুল্লাহ

Saturday, February 1, 2020

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনে হার্ট অ্যাটাক-স্ট্রোক, অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী কী করবেন?

Blood Pressure
আধুনিক যুগে চিকিৎসকরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাকে ‘লাইফস্টাইল ডিজিজ’ হিসেবেই গণ্য করে থাকেন
Advertisement
আধুনিক জীবনে কাজের চাপ, দুশ্চিন্তা, বিভিন্ন ব্যস্ততার জাঁতাকলে রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যেতেই পারে। অনেক সময়ই পরিস্থিতি এমনই হয়ে ওঠে যে ভিতরের বিপদ বাইরে থেকে আঁচ করা সম্ভব হয় না। হৃদরোগ বা স্ট্রোক ঘনিয়ে আসে। আধুনিক যুগে চিকিৎসকরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাকে ‘লাইফস্টাইল ডিজিজ’ হিসেবেই গণ্য করে থাকেন।
একটা সময়বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রবণতা বাড়ত। বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আসলে শরীরের সব কলবব্জাই কমজোরি হয়ে পড়ে। রক্তবাহ নালীগুলিও তার ব্যতিক্রম নয়। তাই বয়স্কদের রক্তচাপ অনেক সময়ই একটু বেশির দিকে তাকে। তবে বর্তমানে বয়স ৩০ পেরলেই ঝুকির গণ্ডি শুরু হয়ে যাচ্ছে। আধুনিক জীবনযাপনের নানা বিষয়কেই এ ক্ষেত্রে ‘ভিলেন’ ঠাওরাচ্ছেন।
কত থাকলে বিপদ নেই?
একটা সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক জন সুস্থ ব্যক্তির রক্তচাপের স্বাভাবিক মাপ হিসেবে ১২০/৮০-কে নির্দিষ্ট করে। পরে জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই অঙ্কই তারা বাড়িয়ে ১৩০ করে। সম্প্রতি প্রকাশিত আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশিকা অনুযায়ীও এই মাপকে ১৩০ ধরা হয়েছে। তবে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৪০ পর্যন্ত চাপ উঠলেও শঙ্কার কারণ নেই। তার চেয়ে বেশি থাকলে তবেই তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা যাবে।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ও হার্টের রোগীদের বেলায় রেসিসটেন্ট হাইপার টেনশন দেখা যায়
ভাবনা কোথায়?
রোগার প্রেশার বাড়িতে মেপে দেখা গেল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে। অথচ কিছু ক্ষণের মধ্যে  চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে মেপে দেখলেন বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। এই প্রবণতার নাম‘হোয়াইট কোট হাইপার টেনশন’। এমন হলে অনেক সময় সরীরের পোর্টেবল ব্লাড প্রেশার মেশিন ২৪ ঘণ্টার জন্য বসিয়ে দেখা হয়, কোনও বিশেষ অবস্থা ও কাজের সময় রক্তচাপ কেমন থাকছে।
অনেকের বেলায় আবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য কয়েক রকমের ওষুধ দিলেও তা নিয়ন্ত্রণে আসে না সহজে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে ও হার্টের রোগীদের বেলায় এমন রেসিসটেন্ট হাইপার টেনশন দেখা যায়।
থাইরয়েড, কোলেস্টেরল বা কিডনির সমস্যায় ব্লাড প্রেশার বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রেশার বাড়ার মূল কারণের অনুসন্ধান এবং চিকিৎসা প্রয়োজন।

রক্তচাপ বেশি মানেই নুন বন্ধ?
চিকিৎসক গৌতম বরাটের মতে, এক জন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে ২.৩ গ্রাম সোডিয়াম নেওয়া উচিত। কিন্তু বিভিন্ন দেশের জলবায়ু, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনের সব কিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে একেবারে ওই মাপেই সোডিয়াম গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তবে প্রতি দিন খাবারে যে পরিমাণ নুন মেশান তার চেয়ে ৫-১০ গ্রাম কমিয়ে ফেলাই ভাল। কাঁচা নুন তো চলবেই না, তার বদলে অল্প পরিমাণে সোডিয়াম সমৃদ্ধ অন্য খাবার খান।
অসুখ সারলেই ওষুধ বন্ধ?
এখানেই ভুল করে ফেলেন অনেকে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে এলেও মনে রাখা উচিত, তা কিন্তু এল আদতে ওষুধের হাত ধরে। প্রতি রোগীকেই তার শরীরের ধরন ও ওষুধের কার্যক্ষমতা মিলিয়ে ওষুধ দেওয়া হয়। ওষুধ কাজ করার একটা নির্দিষ্ট সময়সীমাও থাকে। কাজেই ওষুধ কখন বন্ধ হবে বা পরিবর্তন হবে কি না তা একমাত্র চিকিৎসকই পরামর্শ দেবেন।

সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারে রাশ টানুন
কী কী সাবধানতা
বয়স ৩০ পেরলেই নিয়ম করে রক্তচাপ মেপে চলুন। বাড়িতে এই যন্ত্রও কিনেও রাখতে পারেন।
• ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, লাগামছাড়া চা-কফিতে ‘না’ বলুন।
• মাসে এক আধবার দু’-তিন টুকরো পাঁঠার মাংসে কোনও ক্ষতি নেই। ভয় বরং ঝোল অনেকটা খেয়ে ফেলায়।
• বিরিয়ানির মাংস খেলে ক্ষতি নেই। তবে ক্ষতি বিরিয়ানি বা ভাত বা মাংসের ঝোলে মাংসের ফ্যাট মিশে থাকে আর আমরা মাংস কম খেয়ে ঝোলটুকুই বেশি খাই।
• ডায়েটে থাকুক সবুজ শাকসব্জি ও ফলমূল। জোর দিন পটাসিয়াম সমৃদ্ধ ফলমূলের উপর।
• ব্লাড প্রেশার বাড়ার সঙ্গে শরীরের অন্য কোনও সমস্যা বাড়ছে কি না, নজর রাখুন।
• নুন কম, সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারেও রাশ টানুন। তবে শরীরে যেটুকু সোডিয়াম প্রয়োজন তা জোগানে যেমন ঘাটতি না থেকে।
• ডায়েট থেকে ফ্যাটও একেবারে বাদ নয়। কারণ শর্করা ও প্রোটিনের পাশাপাশি ফ্যাটও দরকার শরীরে। ভিটামিন এ, কে ও ডি-র আত্তীকরণের জন্য শরীরে ফ্যাট থাকা জরুরি।

আনন্দ বাজার 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা
রান্নার স্বাদ বাড়াতে তেজপাতার ব্যবহার আমরা সবাই জানি। কিন্তু ডায়াবেটিস কমাতেও তেজপাতা খুবই উপকারি তা কি জানেন।
ডায়াবেটিস কখনও ভালো হয় না। তবে এইরোগ নিয়ন্ত্রণে রাখলে ভালো থাকা যায়। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে অনেকেই আতঙ্কিত হন।
আসুন জেনে নিই তেজপাতার আরও কিছু স্বাস্থ্যগুণ– ১. রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়।
২. তেজপাতার ধোঁয়ার গন্ধে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আসে।
৩. হজমশক্তি বাড়ায়।
৪. শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।
৫. তেজপাতায় রয়েছে রুটিন ও ক্যাফেক অ্যাসিড। এগুলো হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।
৬. গরম পানিতে কয়েকটি তেজপাতা ফুটিয়ে নিন। পানি ঠাণ্ডা করে প্রতিদিন এক গ্লাস করে খান। উপকার পাবেন। তথ্যসূত্র: জি নিউজ
বিডি প্রতিদিন/কালাম